Pages

Showing posts with label জোকস. Show all posts
Showing posts with label জোকস. Show all posts

Bangla Funny Picture






0

জোকস: তোমার কি সব শরম-ভরম নিলামে উঠেছে?



স্ত্রী: আমি সংসার চালাই। ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে নাস্তা বানাই, বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাই। এরপর বাজার করি। থালা-বাসন মাজি। কাপড় ধুই। ঘরদোর পরিষ্কার- সেটাও আমি-ই করি। রান্নাটাও আমার দায়। বাচ্চাদের স্কুল থেকে আনবে কে? সেই কাজেও এই বান্দি! রাতে বাচ্চাদের পড়ানোর মাস্টারও সাজতে হয় তোমার কেনা এই বান্দিটাকে-ই। আর তুমি আমার জামাই হয়ে লাট সাহেব বনে গেছ যেন! কোন কাজটা কর তুমি সংসারের? হাহ!
স্বামী: আমি তেমন কিছু না, শুধু নিজেকে কন্ট্রোল করি।
স্ত্রী: এই কথার মানে!?









স্বামী: তোমার পটল চেরা চোখের চাহনি, মেঘের মতো দীঘল কালো কেশের বকুল বকুল গন্ধের যাদু, মুক্তোর মতো দাঁত আর কমলার কোয়ার মতো ঠোঁটের মধুমাখা হাসি, পদ্মডাঁটার মতো মৃণাল বাহু, অপ্সরীর মতো দেহভঙ্গিমা, স্বর্ণকলসীর মতো নিতম্ব, হরিণীর মতো চালচলন, আর কথা বলো যখন তখন তো মনে হয় সেতার বাজছে কোথাও- এসব আমাকে পাগল করে রাখে সারাক্ষণ। মনটা চায় সব ফেলে তোমাকে কাছে ধরে রাখতে, তোমার পাশে থাকতে। কিন্তু নিজেকে কন্ট্রোল করে আমি অফিসে পড়ে থাকি- শুধু তোমার আর তোমার সন্তানদের ঠিকমতো... কিন্তু কথা কিন্তু সত্য- অনেক কষ্ট করে নিজেকে কন্ট্রোল করি!
এই কথায় স্ত্রীর মুখে তালা লেগে যায়। মুখ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে লাজুক আর গর্বের হাসি। জানে স্বামী অনেক বাড়িয়ে বলছে, তারপরও ভালো লাগছে শুনতে। 
লাজুক হাসির খুশবু ছড়িয়ে টানা টানা চোখ মেলে স্বামীকে বলে: তোমার কি সব শরম-ভরম নিলামে উঠেছে? আস্তে বলতে হয় এসব কথা... (কিন্তু মনে মনে চাচ্ছে স্বামী এই কথাগুলো পাড়ার মসজিদের মাইকে গিয়ে বলেছে না কেন?) 
                                                (২)
তুচ্ছ কারণে মন্টুর মায়ের সঙ্গে বাপের প্রচণ্ড ঝগড়া। একপর্যায়ে মন্টুর মা ব্যাগ গোছানো শুরু করলো।
মন্টুর বাপ : করছো কী? ব্যাগ গোছাও কেন? 
মন্টুর মা : মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি! তোমার সমস্যা?
শান্তকণ্ঠে মন্‌টুর বাপ: না। 
এরপর সেও ব্যাগ গোছানো শুরু করল। ব্যাপার দেখে মন্টুর মায়ের রাগ আরো বেড়ে গেল।
মন্টুর মা: তুমি আবার কই যাও!
মন্টুর বাপ: আমিও নিজের মায়ের কাছে চললাম।
মন্টুর মা: তাইলে আমাগোর এই এক হালি বাচ্চাকাচ্চা দেখবে কে?
মন্‌টুর বাপ: তুমি আপন মায়ের কাছে যাচ্ছ- ভেরি গুড। একই সঙ্গে আমিও যাচ্ছি আমার মায়ের কাছে। 
সেই হিসেবে কাচ্চাবাচ্চাও তাদের মায়ের সঙ্গেই যাওয়া উচিত।
মন্টুর মা: তুমি একটা শয়তানের হাড্ডি! 
মন্টুর বাপ: তোমার মতো শয়তানের মাংসের জন্য শয়তানের হাড্ডি না হয়ে উপায় আছে আমার!
                                                (৩)
যে স্বামী তার স্ত্রীকে ভয় পেয়ে, সমঝে চলে তার জন্য পরবর্তী জীবনে হয়তো শান্তি অপেক্ষা করছে। কিন্তু যেই পুরুষের কলিজায় বউয়ের ডর নাই- তার জন্য দুনিয়াটাই বেহেস্ত হয়ে যায়- মন্টুর বাপের স্বগতোক্তি   
                                                (৪)
ডাক্তারের নির্দেশনার আগেই যারা ভোরে উঠে হাঁটাহাঁটি করেন সেটা খাঁটি ‘মর্নিং ওয়াক’।
যারা ডাক্তারের ঠেলায় রোগের ভয়ভীতি নিয়ে সকালে হাঁটা শুরু করেন সেটা হচ্ছে ওয়ার্নিং ওয়াক।
আর যারা ভোরে হাঁটার সময়ে স্ত্রীকে সঙ্গে নেন সেটা ডার্লিং ওয়াক না হয়ে যায় না।
যারা ভোরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটলেও ঘুরে ঘুরে অন্য নারীকে দেখেন সেটা নির্ঘাৎ ব্যাড টার্নিং ওয়াক।
যারা স্রেফ প্রতিবেশীর হেভি মুড নিয়ে কেড্স-ট্রাকস্যুট পরে সকালে হাঁটা দেখে নিজেও তা শুরু করেন, সেটা জেলাসি ওয়াক।
কিছু নারী আছেন যারা স্বামীর শত পীড়াপীড়ি সত্ত্বেও সকালে হাঁটতে বের হন না। কিন্তু যেই দেখেন প্রতিবেশী সুন্দরী ভাবীটি সকালে হাঁটা শুরু করেছেন তো হন্তদন্ত হয়ে শুরু করেন স্বামীর পাশে হাঁটাহাঁটি-দৌড়াদৌড়ি- এটাকে বলে কমপোলসারি হার্ট বার্নিং ওয়াক- মন্টুর বাপের পর্যবেক্ষণ
0

copyright © . all rights reserved. designed by Color and Code

grid layout coding by helpblogger.com