Pages

Showing posts with label Today News. Show all posts
Showing posts with label Today News. Show all posts

বলিউডে ১৫ বছর কাটিয়ে ফেলেও, আজও আমি মন থেকে মধ্যবিত্ত, কে বললেন একথা জানেন


নয়াদিল্লি:  একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল থেকে আজ তিনি পরিপূর্ণ অভিনেতা। যাঁরা কাছ থেকে জন অ্যাব্রাহামকে দেখেছেন, তাঁরা সকলেই জানেন জনের যাত্রাপথ অনেকের কাছেই বিশেষ অনুপ্রেরণার। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে জন বলেন, তিনি পনেরো বছর বলিউডে কাটিয়ে ফেললেও, মন থেকে এখনও ভীষণই মধ্যবিত্ত। তাই তিনি খুব সাধারণভাবে জীবন কাটাতে পছ্ন্দ করেন।

পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমি প্রচার পাওয়ার জন্যে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো পছন্দ করি না। আমার কোনও দেহরক্ষী নেই, ঘড়ি পরি না, খুব সাধারণ গাড়ি ব্যবহার করি। সাধারণ ভাবেই দিন কাটাই, এবং সেভাবেই কাটাতে চাই।
0

যে নায়িকারা বিয়ে করে মুসলমান হয়েছেন


ভালোবাসা মানে না কোনো বাধা, তেমনি প্রেম শোনে না কোনো ধর্মে কথা। সব কিছু বিসর্জন দিয়েও ভালোবাসার মানুষটিকে পেতে চায় সবাই। কিন্তু ভালোবেসে বিয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় যদি ধর্ম? তা হলে নিজের জন্মগত ধর্মও বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকেন অনেকে। এমন ঘটনা ঘটেছে বলিউড তারকাদের ক্ষেত্রে। তা হলে আসুন জেনে নেয়া যাক এমন কয়েকজন হার্টথ্রব সারা জাগানো বলিউড তারকার নাম, যারা বিয়ের জন্য মুসলমান হয়েছেন। শর্মিলা ঠাকুর : ভারতের তৎকালীন ক্রিকেট টিমের ক্যাপ্টেন মনসুর আলি খান পতৌদির প্রেমে পড়েন শর্মিলা ঠাকুর। হিন্দু বাঙালি পরিবারের মেয়ে শর্মিলা মুসলমান পতৌদিকে বিয়ে করার জন্য ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন। হেমা মালিনী : ড্রিমগার্ল হেমা আর ধর্মেন্দ্রর প্রেমকাহিনীর কথা অনেকেই জানেন। তাদের অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, হেমা অনেক নামিদামি অভিনেতার কাছ থেকেই বিয়ের প্রস্তাবও পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সঞ্জীব কুমার ও জিতেন্দ্রর মতো নায়কও। কিন্তু হেমা বদ্ধপরিকর ছিলেন ভালোবাসার মানুষ ধর্মেন্দ্রকেই বিয়ে করবেন। তবে তাদের বিয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। তিনি ধর্মেন্দ্রকে বিবাহবিচ্ছেদ দিতে প্রস্তুত ছিলেন না। এই বাধা কাটাতে ১৯৭৯ সালে হেমা ও ধর্মেন্দ্র দুজনেই ইসলাম ধর্মগ্রহণ করে বিয়ে করেন। মুসলিম ধর্মে যেহেতু একাধিক বিবাহ আইন রয়েছে, সেহেতু তারা এভাবে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। আয়েশা টাকিয়া : ২০০৯ সালে আয়েশা বিয়ে করেন ফারহান আজমিকে। এই বিয়ের জন্য আয়েশাকে ইসলাম ধর্মগ্রহণ করতে হয়। অমৃতা সিংহ : অমৃতা সিংহ সাইফ আলি খানের প্রেমে পড়েন। তাদেরও বিয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ধর্ম। তারাও ভালোবেসে বিয়ের জন্য ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেছিলেন। ১৩ বছর ঘর সংসার করার পর অবশ্য তাদের বিবাহবিচ্ছেদও হয়ে যায়। এর পর সাইফ আলির সঙ্গে বিয়ে হয় কারিনার।
0

‘এর আগেও রোজায় আমি শুটিং করেছি’


শবনম বুবলী। বর্তমানে ঢালিউডে সবচেয়ে ব্যস্ততম অভিনেত্রীদের একজন । বুবলী যখন বড়পর্দায় প্রথম কাজ করেন তখনও রমজান মাস ছিলো। এবারও যখন আশিকুর রহমানের ‘সুপার হিরো’ নামে নতুন ছবির কাজ করছেন ঠিক তখনই চলে এসেছে রমজান মাস। এই প্রসঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। বুবলী মানবজমিনকে বলেন, ‘সুপার হিরো’ ছবির কাজ ৯০ ভাগ শেষ। আর এ রমজানেই ছবির কিছু অংশের শুটিং হবে এবং সেই সঙ্গে ডাবিংও রয়েছে। তাই রমজানের মধ্যে কাজ করতে হবে। এটা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। কারণ এর আগেও রোজায় আমি শুটিং করেছি। আমি ফিল্মে কাজ শুরু করার পর থেকে  কয়েকটি ছবির শুটিংয়ের সময়ই রোজা পেয়েছি। যেমন ‘বসগিরি’ ছবিতে কাজ করার সময় রোজা পেয়েছিলাম। এরপর আমার ‘রংবাজ’ ছবিটিরও রোজার মধ্যে শুটিং ছিল। বুবলী এরইমধ্যে তার অভিনীত ‘চিটাগাইঙ্গা  পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা’ নামে নতুন ছবির কাজ শেষ করেছেন। উত্তম আকাশ পরিচালিত এ ছবিতে তার নায়ক শাকিব খান। ঢালিউডের এই জনপ্রিয় নায়কের সঙ্গে বুবলীর এরইমধ্যে চারটি ছবি মুক্তি  পেয়েছে। এদিকে প্রথমবার নতুন এক বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন বুবলী। প্রসাধনী পণ্য তিব্বতের এই নতুন কাজটি নির্দেশনা দিয়েছেন কলকাতার নির্মাতা সৈনক মিত্র। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বর্তমানে এর প্রচার চলছে। এছাড়া এই রমজানে নতুন বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজের প্রস্তাবও পেয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, প্রথমবার বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করার পর বেশ সাড়া পেয়েছি। আবারো বিজ্ঞাপনে আমাকে দর্শক দেখতে পাবেন। তবে বিজ্ঞাপনের স্ক্রিপ্ট আর পণ্যের বিষয়টি ব্যাটে বলে মিললেই কাজটি করব। প্রথম বিজ্ঞাপনটি প্রচারের পর নতুন কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। সব মিলে গেলে কবে কাজ শুরু করতে পারব তা কিছুদিন পর জানাব। শামীম আহমেদ রনীর ‘বসগিরি’, রাজু চৌধুরীর ‘শুটার’, শাহাদৎ হোসেন লিটনের ‘অহংকার’ ও আব্দুল মান্নানের ‘রংবাজ’ ছবিগুলোতে অভিনয়ের পর আর দর্শকের কাছে নতুন নেই বুবলী। প্রতিটি ছবিতে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দর্শকের সামনে হাজির হয়েছেন তিনি। আসছে ঈদুল ফিতরে শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে ‘চিটাগাইঙ্গা  পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে এ ছবির ‘ও রানী’ শিরোনামের একটি গান গত ১৪ই মে ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়। এ গানটি প্রকাশের পর কেমন সাড়া পাচ্ছেন জানতে চাইলে বুবলী বলেন, দারুণ সাড়া পাচ্ছি। গানটি সবাই এত সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছে তাই আমি দর্শক-শ্রোতাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এই গানটি একটু ভিন্ন স্বাদের, বলতে গেলে আঞ্চলিক ঘরানার। কোনো ঘোষণা ছাড়াই গানটি প্রকাশ করা হয়েছে। যেদিন প্রকাশ হয়েছে সেদিনই মূলত ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেল চালু হয়। আর এমন একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেল থেকে গানটি মুক্তি পাওয়ার পর দর্শকদের এত সাড়া আমি পেয়েছি, যা আমার খুব ভালো লেগেছে। এদিকে বুবলীর হাতে এখন ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘ক্যাপ্টেন খান’ ও কাজী হায়াতের ‘আমার স্বপ্ন আমার দেশ’ নামে দুটি ছবি রয়েছে। এ দুটির মধ্যে ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবির শুটিং এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। এফডিসিতে বর্তমানে এর কাজ চলছে। এখানে শাকিব খান ও বুবলী মহরতের মাধ্যমে ছবির কাজ শুরু করেন। এ ছবির কাজ রোজার মধ্যে কক্সবাজারেও হবে বলে জানা যায়। সেখানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বুবলীর। অন্যদিকে রোজার ঈদে ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা’ ছবির পাশাপাশি আশিকুর রহমানের ‘সুপার হিরো’ ছবিটিও মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বুবলীর। তবে এ বিষয়ে এখনই কোনো কথা বলতে নারাজ এই চিত্রনায়িকা। তিনি ঈদের ছবি প্রসঙ্গে বলেন, এ নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাই না। আগে আমি নিশ্চিত হই যে, আমার কোন ছবিটি ঈদে মুক্তি পাবে। এরপরই ঈদের ছবি নিয়ে কথা বলতে চাই। 
0

কোনো সহশিল্পী দেহ ব্যবসা করে না


চলচ্চিত্র মন্দার বাজারে বিপাকে পড়েছেন চলচ্চিত্রের সহশিল্পীরা। কাজ নেই ঘরে খাবার নেই, এরই মধ্যে এলো রোজা। খেয়ে না খেয়ে রোজা রাখলে ইফতার করতে আসতে হয় তাদের চিরচেনা এফডিসিতে। এখানে এসেও এবার বিড়ম্বনায় পড়েছেন চলিচ্চিত্রের সহশিল্পীরা।
প্রথমদিনে এফডিসিতে ইফতারে এসে বিড়ম্বনার শিকার হলেন সহশিল্পী পারভিন আক্তার। তিনি বলেন, ‘বাসায় কোনো খাবার ছিল না। এ কারণে না খেয়েই রোজা রেখেছি। বিকেল ৪টায় মনের মধ্যে একটা শান্তি নিয়ে ঘর থেকে বের হলাম। ইফতারটা হয়তো ঠিক মতো করতে পারব। এফডিসিতে অনেক সংগঠন রয়েছে। সবাই প্রতিদিন ইফতারের ব্যবস্থা করে।
আমরা গেলে সুন্দর করে ইফতার করায়। এফডিসি পৌঁছে দেখি ৫টা বেজে গেছে। গেট দিয়ে ঢুকার সময় দারোয়ান জানিয়ে দিলেন মাগরিবের আযানের পাঁচ মিনিটের মধ্যে বের হতে হবে। ইফতার করে কোনো শান্তি পাইনি। কারণ, ইফতার শেষ হওয়ার আগেই দারোয়ান এসে আমাদের বের করে দিল।’ প্রথম দিনের সেহরি ও ইফতার নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন চলচ্চিত্র সহশিল্পী পারভিন আক্তার।
এখন অনেকটাই কমে গেছে চলচ্চিত্র নির্মাণ। এ কারণে বেকার হয়ে গেছে চলচ্চিত্রের সহশিল্পীরা। এদের মধ্যে অনেকেই চলে গেছে গ্রামের বাড়িতে। তবে পারভিন আক্তার, ‘মুখ ও মুখোশ’ ছবির অভিনয় শিল্পী বিলকিস বারির মেয়ে বুলু বারি, শান্তা, ঝর্ণা, সেফালী, স্বপ্না, জারা, বিনা, মর্জিনা, জরিনা, নূপুরের মতো বেশ কিছু শিল্পী এখনো এফডিসিতে নিয়মিত আসেন। শান্তি মতো ইফতার করতে না পেরে এরা সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
কেন বের করে দেওয়া হলো জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দারোয়ান বলেন, ‘গতকাল কোনো একটি পত্রিকায় নিউজ হয়েছে যে এখানে নাকি সহশিল্পীরা দেহ ব্যবসা করে, এ কারণে ৫টার পর সব মেয়েকে এফডিসি থেকে বের করার নির্দেশ রয়েছে আমরাদের ওপর।’
বিষয়টি নিয়ে বুলু বারি বলেন, ‘দেখেন আমার বয়স এখন ৭০ বছরের কাছাকাছি। এখানে আমরা যারা নিয়মিত আসি তাদের সবাই চিনে। কারণ, আমরা এখানে জন্মের পর থেকেই আসছি। যারা আসে এদের প্রায় সবার বয়স ৪০ এর কাছাকাছি। এরা কেমন করে দেহ ব্যবসা করবে।’
নূপুর বলেন, ‘আমি এফডিসির ৩টা সংগঠনে ঝাড়ু দেই। এটা দিয়ে আমার সংসার চলে। পারভিন কেন্টিনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। বাইরে দাঁড়িয়ে যারা চা খায়, তাদের নিয়ে চা খাওয়ায়। সেখান থেকে যা টাকা পাই তা দিয়ে সংসার চলে। এখন আমাদের মতো মানুষকে দেহ ব্যবসার কথা বলে ছোট করা হচ্ছে।’
সহশিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি অনেক দুঃখজনক। আমি গত বিশ বছর ধরে এফডিসিতে সহশিল্পী সরবরাহ করি। কাজ না পেয়ে অনেকেই বাড়ি চলে গেছে। আর কিছু রয়েছে যারা চলচ্চিত্রের মায়া ছাড়তে পারে না। তারাই থেকে গেছে এখানে। আর তারা প্রায় প্রতি দিনই এফডিসিতে আসে। আমাদের মতো মানুষের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নিয়ে বেঁচে রয়েছে।’
মিজানুর রহমান জোর দাবি করে বলেন, এখানকার কোনো শিল্পী দেহ ব্যবসা করে না। আরে এরা তো সন্ধ্যা হওয়ার আগেই এফডিসি থেকে বের হয়ে যায়। যারা দেহ ব্যবসা করে তাদের নিয়ে নিউজ করার মতো সাহস কারো নেই। তাদের সন্ধ্যা কেন, গভীর রাতেও যদি এফডিসিতে আসে তাহলে দারোয়ান তাকে প্রশ্ন করার সাহস পাবে না। বরং সালাম দিয়ে গেট খুলে দেবে। দেহ ব্যবসা করলে তারা(সহশিল্পীরা) কেন এফডিসিতে ঘুরবে। তারাও তো গাড়ি হাকাবে, পাঁচ তারকা হোটেলে আড্ডা দেবে।’
মিজানুর রহমান বলেন, ‘আসলে একটা চক্র আমাদের চলচ্চিত্রকে মানুষের মাধ্যে খারাপ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। কারণ, অনুসন্ধান করে নিউজ করার ইচ্ছে থাকলে অনেক বিষয় রয়েছে করার মতো, সহশিল্পীদের নিয়ে বাজে কথা লিখত না।’
0

‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ ছবির নায়ক-নায়িকা বাপ্পী ও অপু বিশ্বাস

বাপ্পী ও অপু বিশ্বাস
রিয়াজ ও শাবনূর অভিনীত দেবাশীষ বিশ্বাসের ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ ছবিটি ২০০১ সালে মুক্তি পায়। মুক্তির পর দেশজুড়ে সাড়া ফেলে ছবিটি। ১৬ বছর পর গত বছরের নভেম্বর মাসে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ বানানোর ঘোষণা দেন পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস। সে সময় জানানো হয়েছিল, এই ছবির নায়ক-নায়িকা বাপ্পী চৌধুরী ও অপু বিশ্বাস। তবে এটি আগের ছবির সিক্যুয়েল নয়।
ঘোষণার ঠিক ছয় মাস পরে গত শনিবার থেকে শুটিং শুরু হলো এই ছবির। তার আগে ওই দিন দুপুরে রাজধানীর একটি শুটিংবাড়িতে মহরত হয় ছবিটির। এরপর বাপ্পীকে নিয়ে বিকেল থেকে শুরু হয় শুটিং। এই ছবিতে আবির চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। বাপ্পী বলেন, ‘যদিও ছবিটিকে সিক্যুয়েল বলা হচ্ছে না, গল্প ভিন্ন, তারপরও “শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ” কথাটি ছবির সঙ্গে আছে। তাই ছবিটি ঘিরে দর্শকের আলাদা আগ্রহ থাকবে। এ ছাড়া এই ছবিতে অপু বিশ্বাস আছেন। তাই সবকিছু মিলিয়ে ছবিটি নিয়ে দর্শকের আগ্রহ থাকবে।’
একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বর্তমানে মালয়েশিয়ায় আছেন ছবির নায়িকা অপু বিশ্বাস। ইশানা চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। ২০ মে থেকে তিনি ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবেন বলে জানান ছবির পরিচালক দেবাশীষ। তিনি বলেন, ‘অপু বিশ্বাসের অংশের কাজ ২০ মে থেকে শুরু করার ইচ্ছা। শুটিং হবে বিএফডিসি ও সাভারে।’
ছবিটি সিক্যুয়েল নয়, কিন্তু নাম ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ কেন? পরিচালক বলেন, ‘যেহেতু এই নামটি অনেক পরিচিত ও আলোচিত, তাই বাণিজ্যিক কারণে শুধু নামটি নেওয়া হয়েছে।’ পরিচালক জানান, এই ধাপে টানা ২৫ মে পর্যন্ত ছবিটির শুটিং চলবে।
0

সালমান খানের ছবিতে বাংলাদেশির গান

‘রেস থ্রি’ ছবির পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
সালমান খানের ছবি মানেই চমকে টইটম্বুর। সঙ্গে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা তো আছেই। সালমান-ভক্তরা মুখিয়ে থাকেন কবে ভাইজানের ছবি আসবে। ভক্তদেরও নিরাশ করেন না সালমান খান। সব ঠিক থাকলে আসছে ঈদেও মুক্তি পাবে সালমান খান অভিনীত ‘রেস থ্রি’ সিনেমা। এসবই জানা খবর। নতুন খবর হচ্ছে, সালমানের এই ছবিতে বাংলাদেশিদের জন্য চমক অপেক্ষা করছে। ‘রেস থ্রি’ ছবিতে থাকছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আলী জ্যাকোর গান।
আলী জ্যাকো সংগীতে নাম লিখিয়েছেন বছর খানেক হলো। আর শুরুতেই একেবারে সালমান খানের ছবি! অবাক হওয়ার মতো খবরই বটে।
‘রেস থ্রি’ ছবির ট্রেলারের শেষে কলাকুশলীদের তালিকায় আলী জ্যাকোর নাম দেখে ধাঁধা লাগে। ব্যাপারটা কী? প্রথম আলো জানতে চায় আলী জ্যাকোর কাছে। উত্তরটা তাঁর মুখেই শুনুন, ‘সামনের ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা “রেস থ্রি” ছবিতে আমার একটি গানের হিন্দি সংস্করণ থাকছে। সালমান খান গত সেপ্টেম্বরে যখন লন্ডনে আসেন, তখনই এসব চূড়ান্ত হয়েছিল।’
আলী জ্যাকোর গাওয়া সাতটি ইংরেজি গান পছন্দ করে নিয়ে যান সালমান। সেখান থেকে ‘আই ফাউন্ড লাভ’ গানটির হিন্দি সংস্করণ করে ‘রেস থ্রি’তে ব্যবহার করা হয়েছে। গানটির কথা ও সুর জ্যাকোর নিজের করা। তবে হিন্দি সংস্করণে গানটিতে কে কণ্ঠ দিয়েছেন, সেটি চমক হিসেবেই রেখেছে ‘রেস থ্রি’–সংশ্লিষ্টরা।
আলী জ্যাকো প্রথম আলোকে জানান, গত ডিসেম্বরে তিনি ভারতে গেছেন। সেখানে গানটির হিন্দি সংস্করণের আনুষ্ঠানিক কাজ সারেন। সে সময় ‘রেস থ্রি’ টিমের সবাই তাঁর গিটারে স্বাক্ষর করেন।
সালমান খান ও পরিচালক রেমো ডি’সুজার সঙ্গে আলী জ্যাকো (মাঝে)। ছবি: সংগৃহীত
সালমানের ছবি মানেই বিশাল টাকার বাজেট। এটা সবাই জানে। তো, কত টাকা পেলেন জ্যাকো? এমন প্রশ্নের জবাবে জ্যাকো জানান, তিনি কোনো টাকা-পয়সা চাননি। তবে চুক্তিতে টাকার যে অঙ্ক উল্লেখ আছে, তা মোটেই কম নয়।
কীভাবে গানের ভুবনে আসা? আর ক্যারিয়ারের শুরুতেই সালমান খানের সিনেমা...অনুভূতি কী? জানতে চাওয়া হয়েছিল জ্যাকোর কাছে। যুক্তরাজ্যের হয়ে কিক বক্সিংয়ে পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া আলী জ্যাকো প্রথম আলোকে বলেন, শখের বশেই তাঁর গানে আসা। তবে সালমানের ছবিতে তাঁর লেখা ও সুর করা গান ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত সম্মানের।
এখানেই শেষ নয়। সামনে হয়তো আরও চমক আছে। সে রকম ইঙ্গিতই তো দিলেন জ্যাকে। জানালেন, সালমান খানের সঙ্গে নিজের গান ও সিনেমা বানানো নিয়ে বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১২০ কোটি রুপি বাজেটের ছবিটি পরিচালনা করেছেন কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক রেমো ডি’সুজা। ছবিতে সিকান্দারের ভূমিকায় দেখা যাবে সালমানকে। আছেন অনিল কাপুর, ববি দেওল, জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ, শাহ ডেইজি, সাকিব সালিম প্রমুখ।
২০০৮ সালে আব্বাস-মাস্তানদের পরিচালনায় ‘রেস’ মুক্তি পায়। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় এর সিক্যুয়াল ‘রেস টু’। আগামী ১৫ জুন মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘রেস থ্রি’।
0

রাইড শেয়ারিংয়ে ভোগান্তি হলে কী করবেন

রাইড শেয়ারিং অ্যাপের ব্যবহার বেড়েছে। পাশাপাশি এ সেবা নিতে গিয়ে বিরূপ অভিজ্ঞতার সংখ্যাও কম নয়।
মাহিনূর ইসলাম এ রকমই একটি সেবা নিতে গিয়ে চালকের কাছ থেকে দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন। অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং কর্তৃপক্ষকে। তারা বিষয়টি দেখবেন বলে মাহিনূরকে জানিয়েছেন।

প্রতিটি অ্যাপেই চালক ও সেবার বিষয়টি নিয়ে রেটিংয়ের ব্যবস্থা আছে। খারাপ অভিজ্ঞতা হলে উবারের ‘ইউর ট্রিপস’ অপশনে গেলে ‘হেল্প’ নামে আরেকটি অপশন আসবে। সেখানে বিভিন্ন অভিযোগের ধরন আছে। যাত্রী নিজের সমস্যা অনুযায়ী অভিযোগ জানাতে পারবেন।

পাঠাওয়ের ‘হিস্ট্রি’ অপশনে গিয়ে চালক সম্পর্কে ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানানোর সুযোগ আছে। সমস্যার ধরন অনুযায়ী অভিযোগ জানানো যাবে। পাঠাওয়ের কল সেন্টারও আছে। এ ছাড়া ০৯৬৭৮১০০৮০০ নম্বরে ফোন করেও অভিযোগ জানানো যায়। শেয়ার আ মোটরসাইকেলের (স্যাম) অ্যাপসে ‘হেল্প’ অপশনে ক্লিক করলেই সরাসরি তাদের কল সেন্টারে ফোন চলে যাবে। এ ছাড়া আমার বাইক, আমার রাইড, ইজিয়ার, লেটস গো, মুভ, ডাকোসহ অনেকগুলো এখন এই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি অ্যাপেই অভিযোগ জানানোর সুযোগ আছে এবং নিয়মটাও প্রায় একই।

২০১৫ সাল থেকে দেশে রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে নগরে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলের সুযোগ চালু হয়।

গেল বছর অনেকগুলো রাইড শেয়ারিং অ্যাপ চালুর ঘোষণা আসে। সরকার এ বছরের জানুয়ারিতে রাইড শেয়ারিং নীতিমালা-২০১৭-এর খসড়া অনুমোদন দেয়। এখানেও বলা আছে, শৃঙ্খলাপরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড দেখলে মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৭-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযোগ জানানো হলে কর্তৃপক্ষ কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, তা জানা যায় না।

আবু তাওহিদ নামের এক সেবাগ্রহীতা বলেন, ‘একবার অভিযোগ করি। তারা জানিয়েছে ব্যবস্থা নেবে। আসলে আমরা তো জানতে পারছি না আদৌ তারা ব্যবস্থা নেয় কি না। কারণ, এরপরে তারা আমাদের কিছু জানায় না।’

পাঠাওয়ের অপারেশনস ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল ওয়াসিফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘অ্যাপে অভিযোগ জানানো ছাড়াও আমাদের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার আছে। সেখানে ফোন দিয়ে অভিযোগ জানানো যায়।’ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুপক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়টি সম্পর্কে জানা হয়। গুরুত্ব বিবেচনা করে সাময়িক বা স্থায়ী বরখাস্ত করা হয়। আবদুল্লাহ বলেন, মানসম্পন্ন সেবার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অভিযোগকারীকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না জানানোর কারণ সম্পর্কে আবদুল্লাহ বলেন, অভিযোগকারীকে জানালে তিনি যদি তা স্বাভাবিক না নেন, তবে নতুন ঝামেলা তৈরি হতে পারে। কেউ যদি চালকের ছবি দিয়ে ঘটনা প্রকাশ করে দেন, তবে এটা ওই চালকের জন্য অবমাননাকর হবে। 
0

copyright © . all rights reserved. designed by Color and Code

grid layout coding by helpblogger.com